নির্বাচনের পদ্ধতি

গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন - পৌরনীতি ও নাগরিকতা - এসএসসি | NCTB BOOK

1.7k

নির্বাচনের পদ্ধতি:
নির্বাচন পদ্ধতি বলতে সাধারণভাবে ভোট গ্রহণের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে বুঝানো হয়। বর্তমানে ভোট প্রদানের দুটি পদ্ধতি রয়েছে । (ক) প্রকাশ্য ভোটদান পদ্ধতি ও (খ) গোপন ভোটদান পদ্ধতি । প্রকাশ্য ভোটদান পদ্ধতিতে ভোটারগণ নিজ নিজ পছন্দের ব্যক্তিকে সকলের সামনে প্রকাশ্যে ভোট দেয়। এতে ভোটাররা প্রকাশ্যে ‘হ্যাঁ' ধ্বনি বা ‘হাত তুলে’ সমর্থন দান করে। অন্যদিকে গোপন ভোটদান পদ্ধতিতে ভোটারগণ গোপনে ব্যালটপত্রে পছন্দকৃত ব্যক্তির নামের পাশে নির্ধারিত চিহ্ন এঁকে বা সিল দিয়ে ভোট প্রদান করে । বর্তমানে এ পদ্ধতি সর্বজনস্বীকৃত ।

 

এক ব্যক্তি এক ভোট:

নির্বাচনপদ্ধতির মধ্যে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি হচ্ছে ‘এক ব্যক্তি, এক ভোট’ পদ্ধতি । ‘এক ব্যক্তি, এক ভোট' বর্তমানে সর্বত্র গৃহীত নীতি । এ পদ্ধতিতে একটি আসনের জন্য যেকোনো সংখ্যক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন । একজন ভোটার কেবল তাঁর পছন্দের প্রার্থীকে একটি ভোট দিবেন । প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে যিনি বেশি ভোট পাবেন তিনি নির্বাচিত হবেন ।

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও

জীবন ও জর্জ কৈরালা দুই বন্ধু একই বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করে। জীবন বাংলাদেশী অপরদিকে জর্জ কৈরালা নেপালী। জীবন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা নির্বাচিত হয়েছে, কিন্তু জর্জ কৈরালা ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ছাত্র নেতা হতে পারেনি।

ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ মিছিল করে
দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে
এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে
এলাকার সবশ্রেণি জনগণ আন্দোলন করে
নিচের অনুচ্ছেদটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:

মজিদ সাহেব বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে একটি বৃহৎ দল থেকে নির্বাচিত হন। তার দল নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা গেয়ে সরকার গঠন করে। অন্যান্য দলগুলো নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে থাকে।

Promotion

Are you sure to start over?

Loading...